1. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| বিকাল ৫:২৩|
শিরোনামঃ
“মুগদায় মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে একা লড়ছেন সাংবাদিক প্রিয়া চৌধুরী — নাম প্রকাশে আসতেই বাড়ছে প্রাণনাশের শঙ্কা” ঘাগড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে মতি হত্যা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হল ১৭ জনকে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও বার্ষিক মিলাদ মাহফিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত” মোবাইল_কোর্ট পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনকারীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদন্ড জাউয়াবাজারে বুকী নদী পরিদর্শন: দখল-দূষণ রোধে কঠোর অবস্থান জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের বাংলা বর্ষবরণে ময়মনসিংহে বর্ণিল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পরিশোধ তবুও ধীর গতিতে চলছে বৈদ্যুতিক কুটি অপসারণের কাজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট ও ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্র সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এখনো বহাল তবিয়তে।  রায়েরবাগ এভারগ্রিন হাসপাতালে ডাক্তার সায়েম–এর সিন্ডিকেটে অবৈধ এমআর: চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা শারমিনের অনাগত সন্তানের মৃত্যু

মোটা অংকের টাকা দাবিতে টিআই জলিলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪২৯ বার পড়েছেন

ঢাকার ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তা সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণের শিকার

ঢাকা ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) জলিলের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী আছিয়া খাতুন ঝিনুক ওরফে মায়া থানায় মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে কোনো প্রমাণ নেই এবং এটি সামাজিকভাবে টিআই জলিলকে হেয় করা ও পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, আছিয়া খাতুন ঝিনুকের পূর্বে একবার বিবাহ হয়েছিল, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তার আগের স্বামীকেও তিনি বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছিলেন এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। বর্তমানে ঝিনুক কিছুদিন ধরে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মোটা অংকের অর্থ দাবি করতে শুরু করেন তার স্বামী টিআই জলিলের কাছে। টিআই জলিল সেই অর্থ প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর সম্পর্কের টানাপোড়েন বৃদ্ধি পায় এবং অভিযোগটি সেই বিরোধের জেরেই তৈরি হয়েছে।

সরজমিনে জানা গেছে, টিআই জলিল দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বে সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা “নির্যাতন” বা “যৌতুক দাবি” সম্পর্কিত অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। অভিযোগপত্রের বর্ণনা অসংলগ্ন এবং প্রমাণহীন। কোনো চিকিৎসা রিপোর্ট, দৃশ্যমান আঘাতের প্রমাণ বা স্বাধীন সাক্ষীর অভাব থাকলেও অভিযোগটি সত্যি মনে করানোর প্রচারণা চালানো হয়েছে। তাছাড়া, তাঁর সহকর্মীরা জানিয়েছেন, টিআই জলিল সবসময় দায়িত্বশীল এবং সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন; তাঁর পেশাগত আচরণ নিয়ে কখনো কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।

টিআই জলিল বলেছেন, “আমি কখনো আমার স্ত্রীকে নির্যাতন করিনি বা যৌতুক দাবি করিনি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি স্বচ্ছল। বরং দীর্ঘদিন ধরে আমার ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। টাকা না দিলে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতো। মাঝে মাঝে সে আমাকে হুমকি দিতো, আমার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা এবং যৌতুকের মামলা দেবে। তাছাড়া, আমার মা ও দুই সন্তানদের বাসায় সে জায়গা দিত না। তাই গত ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং আমি নিরুপায় হয়ে ১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭(১) বিধান অনুযায়ী আমার স্ত্রীকে আইনগতভাবে তালাকের নোটিশ প্রদান করি। একারণেই শুধুমাত্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয় করা এবং পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করতেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”

গোপন তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, আছিয়া খাতুন ঝিনুক বিভিন্ন অনলাইন নিউজকর্মীদের টাকা দিয়ে কয়েকটি নিউজ করিয়েছেন টিআই জলিলের মানহানি করার জন্য। এই সংবাদগুলো কোনো সত্য নির্ভর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি এবং সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। আইনি পথে এই ধরনের ভুয়া সংবাদ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 doiniksobarageamardesh.com