শতাধিক শিশু,ছাত্রী নির্যাতনকারী,নারী নির্যাতনকারী, ধর্ষক,নারীলিপ্সু,লম্পট,প্রতারক কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমেদ দীর্ঘ ১৬বছর মুজিব কোট গায়ে দিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হালুয়া রুটি খেয়েছে, দূর্নীতি,লুটপাট করেছে এবং আওয়ামী লীগের কিলিং মিশন বাস্তবায়ন করেছে, বিএনপি নির্মূলে ফ্যাসিষ্ট হাসিনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে, বিএনপির নেতাকর্মীদের দমন-পীড়নে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাছ করেছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতাকে হত্যা করেছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শতাধিক শিশু,ছাত্রী নির্যাতন করছে,নারী নির্যাতন করছে, ছাত্রী অপহরণ করেছে,ধর্ষন করছে, প্রতারণা করেছে আর ৫ই আগষ্টের পরে গা থেকে মুজিব কোট খুলে ভবিষ্যতের জন্য ওয়ারড্রবে সংরক্ষণ করে বিএনপির ছত্রছায়ায় আওয়ামীলীগকে সংগঠিত করার, পুনর্বাসন করার গোপন মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে ।
কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমেদ তার গ্রামের বাড়ী নরসিংদীর শিবপুরে উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতির খাতায় নাম লেখালেও ঢাকায় করতো আওয়ামীলীগ। তার গ্রামের বাড়ীটি ছিল উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু আর ঢাকায় নিজে ছিল আওয়মীলীগের কিলিং মিশনসহ সকল অপকর্মের সফল বাস্তবায়নকারী । সাবের হোসেন চৌধুরীর পাশে মুজিব কোট পরিহিত কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমদেকে দেখে মনে হয় তিনি ঢাকা-৯ আসনের এমপি আর সাবের হোসেন চৌধুরী তার কর্মী। এভাবেই চলে ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ ১৬টি বছর ।
নরসিংদী বিএনপির কিছু অর্থলোভী ব্যক্তি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জনাব ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা জনাব তারেক জিয়ার নির্দেশ অমান্য করে বিএনপি থেকে ৫ই এপ্রিল ২০২৪ইং সালে বহিষ্কৃত ফ্যাসিবাদের দোসর , শতাধিক শিশু,ছাত্রী নির্যাতনকারী,নারী নির্যাতনকারী,ধর্ষক,নারীলিপ্সু,লম্পট,প্রতারক, আন্তর্জাতিক চাপাবাজ ও মিথ্যার ফ্যাক্টরী কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমেদকে অবৈধ অনুপ্রবেশের করার সুযোগ করে দিয়েছে। সবাইকে মনে রাখতে হবে, খোলস পাল্টালেও সাপ কিন্তু সাপই থাকে। বিএনপির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,দলীয় হাই কমান্ডের নেতৃত্ব একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএনপির দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।