ঢাকা বিভাগের অন্যতম জনবহুল জেলা গাজিপুরের সাভার এলাকায় বসবাসকারী সাথি মল্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই । খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার কুহুদাসকাঠী গ্রামের নিতান্ত কৃষক পরিবারের মেয়ে সাথি মল্লিক এক সময় অভাব অনটনের কারনে লেখাপড়া বাদ দিয়ে গার্মেন্টসে চাকরির জন্য ঢাকায় চলে আসেন। এক সময় সুন্দর চেহারার চাহুনি দিয়ে মানুষের মন আকৃষ্ট করতে শুরু করে এবং অন্য জীবনে প্রবেশ করতে তবে সেই জীবনটা ছিল সমাজের চোখে অন্ধকার জীবন। ভুক্তভোগী বলেন আমি বাংলাদেশে সাইবার সুরক্ষা আইনের ধারায় সাথি মল্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি । সাথি মল্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে কতৃপক্ষ বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সিআইডিকে ব্যবস্থা নেওয়া জন্য আদেশ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী আরও অভিযোগ করে বলেন আমি অনেকদিন যাবত সাথি মল্লিককে বিভিন্ন যায়গায় খোঁজার পর তার গ্রামের বাড়ির ঠিকানা সংগ্রহ করে ছদ্মবেশে এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নেই। পরবর্তীতে আমি বিষয়টি কাউকে না জানিয়ে মালোয়শিয়া দুতাবাসে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে জানতে পারলাম সাথি মল্লিক বর্তমানে মালোয়শিয়া অবস্থান করছেন তবে এখান থেকে তিনি অবৈধভাবে মালয়েশিয়া প্রবেশ করেছেন এমন প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে এসে পৌঁছেছে। ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে জানা গিয়েছে সাথী মল্লিক তাকে বিবাহ করার কথা বলে শারিরিক সম্পর্ক স্থাপন করে পরবর্তীতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে বর্তমানে মালোয়শিয়া অবস্থান করছেন, সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে যাতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। ভুক্তভোগী ব্যাক্তি সমস্ত ডকুমেন্টস সংগ্রহ করে বিভিন্ন দপ্তরে জমা দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন যদি কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে কোন প্রকার বাড়াবাড়ি করার চেষ্টা করে থাকে তাহলে তাকেও প্রতারণায় দায়ে অভিযুক্ত করা হবে। ভুক্তভোগী ব্যক্তি বলেন একটি বিষয় জানাতে চাই কিছুদিন পূর্বে আমি এবং আমার সাথে অন্য আত্মীয় স্বজন যখন সাথি মল্লিকের গ্রামের বাড়িতে খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম তখন সাথীর পরিবার থেকে থানায় যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন এক ব্যক্তি।