1. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| সোমবার| রাত ১১:৪১|
শিরোনামঃ
মাসোয়ারার টাকা নিরবে পেতে ভিন্ন কৌশল করে দুপুরের খাবারের ব‍্যবস্থা করে দিলেন আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্র বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন সৈয়দকাঠী ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি সাংবাদিক সম্মেলন কালির বাজার জামিয়া কাসেমিয়া দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসা পরিদর্শনে ইউএনও ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য! স্বৈরাচারের দোসরদের সিন্ডিকেট রাজত্ব,শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়,ক্ষমতার দাপট,অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের ঢাকার নবাবগঞ্জে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার – ১ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত

ইতালি পাঠানোর নামে লিবিয়ায় জিম্মি ও ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ সুনামগঞ্জে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে মামলা

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০২ বার পড়েছেন

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এবং লিবিয়ায় জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী এমরান হোসেন আদিলের স্ত্রী মোছা সজুনা আক্তার খাদিজা বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মোছা শোবি বেগম, মনফর আলী, শামছুল ও মেসকার মিয়াসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায় যে আসামিরা ভুক্তভোগী এমরান হোসেন আদিলকে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে এবং স্থায়ী বসবাসের ভিসা দিয়ে ইতালি পাঠানোর কথা বলে ২২ লক্ষ টাকা চুক্তিতে রাজি করান। চুক্তি অনুযায়ী প্রথমে ৩ লক্ষ টাকা ও পাসপোর্ট গ্রহণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে আদিলকে প্রথমে চেন্নাই এবং পরে শ্রীলঙ্কা হয়ে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর আসামিরা তাদের নিজস্ব লোকবল দিয়ে আদিলকে প্রায় দেড় মাস জিম্মি করে রাখে।

অভিযোগে আরও বলা হয় যে আসামিরা আদিলকে ইতালি পাঠানোর নাম করে বাদীর কাছ থেকে আরও ১৯ লক্ষ টাকা দাবি করে। নিরুপায় হয়ে বাদী মোছা সজুনা আক্তার খাদিজা আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে এবং স্বামীর জমানো টাকা থেকে আসামিদের কয়েক দফায় টাকা প্রদান করেন। এর মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে এবং ১৪ লক্ষ টাকা নগদ প্রদান করা হয়। টাকা পাওয়ার পর ১ নং আসামি মোছা শোবি বেগম স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিলেও আদিলকে ইতালি না পাঠিয়ে লিবিয়াতেই আটকে রাখা হয়।

পরবর্তীতে আসামিরা মোবাইল ফোনে জানায় যে এমরান হোসেন আদিল মাফিয়া চক্রের হাতে ধরা পড়েছে এবং তাকে বাঁচাতে হলে আরও ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। মুক্তিপণের টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় এবং তাকে মারধর করার ভিডিও বাদীর কাছে পাঠানো হয়। স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে বাদী আবারও ৫ লক্ষ টাকা আসামিদের হাতে তুলে দেন। সব মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরও ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

বাদীর নিযুক্ত উকিল এডভোকেট রমজান আলী জানান মামলাটি জগন্নাথপুর থানায় এফআইআর হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা রুজু করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন মাননীয় আদালত। দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী ন্যায়বিচারের আশায় এই মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর পরিবার আদিলকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পেতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 doiniksobarageamardesh.com