1. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| বৃহস্পতিবার| ভোর ৫:৩৯|
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার যুবসমাজকে কেবল চাকুরির সন্ধানে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাবা,ফেলে রেখে চলে যায় নিরাপদ আশ্রয়স্থল না থাকায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুটির পাশে দাড়ালেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন কর্তৃক ১৪টি বিদ্যালয়কে ডিসিস এওয়ার্ড ফর ক্লিনলিন্যাস অক্টোবর /২৬ প্রদান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে জমি ও বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে ইসরাত জাহান রেজোয়ানার সংবাদ সম্মেলন নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া ঘাটের পর্যটন ব্যবসায় ধস, বিপাকে শত শত পরিবার বিশ্ব ডাক দিবসে রচনা প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মদনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় হিন্দুসম্প্রদায়ে মাঝে শাডী বিতরন, নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে বালু বোঝাই ট্রাকসহ আটক-১ সুনামগঞ্জে বিজিবি”র পৃথক দুটি অভিযানে দুইলাখ ৮৯ হাজার ৫শত টাকার ভারতীয় মাদক জব্দ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জাহিদুল আলম
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮৮৩ বার পড়েছেন

উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বুধবার বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বিয়াম অডিটরিয়ামে দেওয়ানবাগীর দল ওলামা মিশন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর ১৫০০তম শুভ জন্মদিন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দেওয়ানবাগ শরীফের পরিচালক, সমন্বয়ক ও মোহাম্মদী ইসলামের নেত্বত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর বলেন, হযরত রাসুল (সা.)-এর শুভজন্ম এবং ওফাত একই তারিখে নয়। হযরত রাসুল (সা.) বিদায় হজের ৮১ দিন পর ওফাত লাভ করেন। সেই দিনটি ছিল ১লা রবিউল আউয়াল। হযরত রাসুল (সা.) ১২ই রবিউল আউয়াল সোমবার জন্মগ্রহণ করেন, আবার ৬৩ বছর পর ১লা রবিউল আউয়াল সোমবার ওফাত লাভ করেন। কিন্তু সমাজে প্রচলিত আছে হযরত রাসুল (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস একই তারিখে হয়েছে। ফলে হযরত রাসুল (সা.)-এর শুভ জন্মদিন অবারিত রহমত ও বরকত হওয়া সত্ত্বেও মুসলিম জাহান ওই দিবসে আনন্দ করতে না পেরে রহমত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে মহান সংস্কারক হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) পবিত্র কুরআন, হাদিস ও ঐতিহাসিক তথ্য দিয়ে প্রমাণ করতে সক্ষম হন যে, হযরত রাসুল (সা.)-এর ওফাত দিবস ১লা রবিউল আউয়াল।

এই আলোচনা সভায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাঁচ শতাধিক ওলামায়ে কেরাম যোগদান করেন।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে ওলামায়ে কেরাম বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) হচ্ছে সৃষ্টিকুলের সবচেয়ে বড় ঈদ। প্রকৃতপক্ষে ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) শুধুমাত্র মুসলিম জাতির জন্য নয়, বরং সমগ্র সৃষ্টি তথা কুল কায়েনাতের জন্য আনন্দের দিন। হযরত রাসুল (সা.)-এর শুভ জন্ম দিনে যারা খুশি হন, মহান আল্লাহ্ তাদের ক্ষমা করে দেন। অনুষ্ঠানে ওলামায়ে কেরাম সবাইকে ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে আনন্দোৎসব করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য প্রদান করেন হযরতুল আল্লাম মুহাদ্দেছ এমরান হোসাইন মাজহারী, হযরত আলহাজ সাব্বীর আহমদ ওসমানী, হযরত মুফতি রফিকুল ইসলাম, মোফাচ্ছেরে কোরআন হযরত ফখরুদ্দীন রাজী, হযরত রুহুল আমিন কুদ্দুসী, হযরত মাহবুবুর রহমান আজাদী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. পিয়ার মোহাম্মদ, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মো. আবদুল আজিজ খলিফা প্রমুখ। বক্তারা দেশবাসীর সবাইকে মহাধুমধামের সাথে এই ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথি ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর তাঁর মূল্যবান ভাষণ প্রদান করে বিশ্ববাসীর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করেন।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 doiniksobarageamardesh.com