1. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
২রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| মঙ্গলবার| ভোর ৫:৩৪|
শিরোনামঃ
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুবদলের সভাপতি পদে আকরামুল হাসান মিন্টুকে দেখতে চায় নেতাকর্মীরা অপপ্রচারের শিকার বরিশালের আইনজীবী জাকির, পাওয়া গেল ভিন্ন তথ্য প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কবির জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে আগামীকাল ত্রিশাল আসছেন ময়মনসিংহ আজ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ্য মিশনে পদয়নে নীরব ঘাতক জোর লবিং নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসেবে নান্দাইলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বিতর্কিত প্রকৌশলী গোলাম মোত্তাকিনের ঢাকা জেলা সার্কেলে রহস্যজনক পদায়ন নিয়ে তোলপাড় বিএনপির মুখোশ পরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিদেশে যাবার মিশনে ? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় তদবির ময়মনসিংহে বিভাগীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ এর ১১তম সভা অনুষ্ঠিত একই দিনে সারা বিশ্বে ঈদ পালন ধর্ম ও বিজ্ঞান বিরোধী -বাইতুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক

মুলাদী গফুর মল্লিক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০টি গাছ অবৈধভাবে বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ 

মুলাদী প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫৭ বার পড়েছেন

মুলাদী গফুর মল্লিক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন এর বিরুদ্ধে ১০ গাছ অবৈধভাবে বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাগেছে, মুলাদী গফুর মল্লিক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ের টাকা বিভিন্নভাবে আত্মসাত করে আসছে। বিগত সরকারের আমলে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি তারিকুল হাসান মিঠু খানের সাথে আতাত করে সরকারের দেয়া বিভিন্ন বরাদ্দ ভাগবাটোয়ারা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এরই ধারবাহিকতায় গত ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ কোন রকম অনুমতি ছাড়াই বিদ্যালয়ের ১০টি গাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসাত করেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন জানতে পেরে প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছোট ছোট ৪-৫টি গাছ বিক্রি করেছেন, কিন্তু ষড়জমিনে গেলে দেখা যায় লক্ষাধীক টাকা মুল্যের ১০টি গাছ তিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কিংবা বনবিভাগের অনুমতি ছাড়াই বিক্রি করে দেন। এব্যাপারে বিদ্যালয়ের সভাপতি উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করার ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা, তবে কাজের স্বার্থে গাছ অপশারন করার কথা হয়েছে। সরকারী বরাদ্দকৃত গভীর নলকুপ স্থাপনের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, সেই টাকা ব্যাংক থেকে উত্তলন করতে পারিনাই। বিদ্যালয়ের ভীতরে শেখ মুজিবর রহমানের ছবি সম্মলিত নেইফলক অপশারনের জন্য স্থানীয়রা একাধীকবার বললেও তিনি তা আমলে নেননি। এধরনের দুর্ণীতিগ্রস্থ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যাহত হবে বলে ধারনা করছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 doiniksobarageamardesh.com