রিপোর্টার : ফিল্মি কায়দায় এমনভাবে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে যে অসহায় পরিবার এখন এক কাপড়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে রাত্রি যাপন করা ছাড়া উপায় নেই।রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজি
৬৭/৬৯ রোড ১৫।এ ঘটনাটি ঘটেছে।যার বাসায় ঘটনাটি ঘটেছে তার নাম ফাতেমা আক্তার শাপলা
স্বামী :সেলিম হোসেন
পিতা মৃত্যু :সাদেক আলী তালুকদার
হামলার স্বীকার ফাতেমা আক্তার শাপলা বলেন আমার মা গোলেনুর,ছোট বোন সাদিকা আক্তার মিম,বাসায় ডাক্তার দেখাতে আসা আমার বৃদ্ধ নানী সুফিয়া বেগম সহ তাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।গত ১৯ ডিসেম্মর ২০২৫ ইং সালের বিকাল ৫ ঘটিকার সময় মেহেদি হাসান সহ ৫০/৬০ জন আমার বাসায় সন্ত্রাসী হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাট করা করে।প্রথমে রুমে ডুকে হামলা কারীরা আমার মা এবং বোন এর ফোন কেরে নেয় আমার মা আর বোনকে শারীরিক হেনস্তা করেন।আমাকে আওয়ামী লীগ এর ট্যাগ দিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করে হামলা কারীরা আমার বাসায় আসেন।সে সময়ে ফাতেমা আক্তার শাপলা বাসায় না থাকায় প্রানে বেচে যায়।
বিকালে ফিল্মি কায়দায় এক এমন ন্যক্কারজনক হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা বসতঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করেই থামেনি, যাওয়ার সময় ঘরের সকল আসবাবপত্র ভেঙ্গে ফেলে বাসা থেকে বের করে দেয়।
এ সময় বাকিরা পালিয়ে যায়, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, অর্ধশতাধিক ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে এসে ফাতেমার বাড়িতে হানা দেয়। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা বসতঘরের গেইটের ভেতরে প্রবেশ করে শশুর বাড়ির লোক জন আমার পরিবারের নারী সদস্যদের পিটিয়ে আহত করে। এ সময় প্রাণভয়ে তারা ঘর থেকে বেরিয়ে যান। সন্ত্রাসীরা পুরো ঘরের সবকিছুই ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়। যাওয়ার সময় তারা ঘরের খাট, সোফা, লেপ তোষক, জামা কাপড়, হাড়িপাতিলসহ সবকিছু ঘর থেকে বের করে গ্যারেজ এ ফেলে দিয়ে যায়।এখন পর্যন্ত অপশক্তির কাছে পরাজিত অসহায় পরিবারটি মানবিতর জীবন কাটাচ্ছে।