রিপোর্টার :ফিল্মি কায়দায় এমনভাবে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে যে অসহায় পরিবার এখন এক কাপড়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে রাত্রি যাপন করা ছাড়া উপায় নেই।রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজি
বাসা ৬৭/৬৯রোড ১৫।এ ঘটনাটি ঘটেছে।যার বাসায় ঘটনাটি ঘটেছে তার নাম ফাতেমা আক্তার শাপলা।
হামলার স্বীকার গুলেনুর বেগম বলেন আমার বড় মেয়ে কে আওয়ামী লীগ এর ট্যাগ লাগিয়ে আমার মেয়ের বাসায় বর্বর হামলা চালায় মেয়ের স্বামী সেলিম হোসেন ও তার ভাই আত্মীয় স্বজনরা এবং ভাড়াটে গুন্ডা কিশোর গ্যাং ঘটনা ঘটায়। বাসায় ছিলাম আমি এবং ছোট মেয়ে সাদিকা আক্তার মিম,(২২)বাসায় ডাক্তার দেখাতে আসা বগুড়া থেকে আমার বৃদ্ধ মা সুফিয়া বেগম (৮৫)সহ তাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।গত ১৯/১২/২০২৫ ইং সালের বিকাল ৫ ঘটিকার সময় আমার মেয়ের স্বামী সেলিম হোসেন পারিবারিক কলোহোর জের ধরে বিদেশে থেকে তার ভাই মেহেদি হাসান সহ ৫০/৬০ জন আমার বাসায় সন্ত্রাসী হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাট করা করে।
বিকালে ফিল্মি কায়দায় এক এমন ন্যক্কারজনক হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা বসতঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করেই থামেনি, যাওয়ার সময় ঘরের সকল আসবাবপত্র ভেঙ্গে ফেলে বাসা থেকে বের করে দেয়।
এ সময় বাকিরা পালিয়ে যায়, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, অর্ধশতাধিক ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে এসে ফাতেমার বাড়িতে হানা দেয়। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা বসতঘরের গেইটের ভেতরে প্রবেশ করে শশুর বাড়ির লোক জন আমার পরিবারের নারী সদস্যদের পিটিয়ে আহত করে। এ সময় প্রাণভয়ে তারা ঘর থেকে বেরিয়ে যান। সন্ত্রাসীরা পুরো ঘরের সবকিছুই ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়। যাওয়ার সময় তারা ঘরের খাট, সোফা, লেপ তোষক, জামা কাপড়, হাড়িপাতিলসহ সবকিছু ঘর থেকে বের করে বাসার গ্যারেজ এ ফেলে দিয়ে যায়।ভুক্তভোগী পরিবার বিচার না পেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে