পিরোজপুর-২ কাউখালী, ভান্ডারিয়া, নেছারাবাদ, আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেনের নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা – ভাঙচুর
চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে নেছারাবাদ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত মাহমুদ হোসেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীকে লড়ছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মাহমুদ হোসেনের অভিযোগ, বিএনপি প্রার্থী আহমদ সোহেল মঞ্জুর সুমনের সমর্থক নাসির তালুকদার, তাঁর ভাই সহ কয়েকজন ব্যক্তি এ হামলা চালিয়েছে। হামলাকারীরা ক্যাম্প অফিসে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেছে। তাঁর কয়েকজন কর্মীকে মারধর করেছে। ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে।
মাহমুদ হোসেন বলেন, তাঁর নিরাপত্তায় দায়িত্বে থাকা দুজন পুলিশ সদস্যের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে যৌথভাবে মহড়া দিলে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পুলিশের প্রহরায় তিনি স্থান ত্যাগ করেন।
স্বতন্ত্র এই প্রার্থী বলেন, ভোটের আগে এ ধরনের হামলা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা। এসব ঘটনা আমাকে শেখ হাসিনা আমলের পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন তালুকদার বলেন, বিএনপি ছারা কোন দল নেছারাবাদ উপজেলা প্রচার প্রচারণা করতে পারবে না। তাদের অফিসে হামলা হয়েছে দরকার হলে আবার ও হবে ৷ আমাদের বিএনপি প্রার্থী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন ধানের শীষ ছারা অন্য কোনো প্রচার প্রচারণা হবে না
এ ব্যাপারে স্বরূপকাঠী পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী কামাল হোসেন বলেন, যত দূর জানি, মাহমুদ হোসেন বিএনপির বহিষ্কৃত ব্যক্তি। তিনি
বিএনপির নেতা কর্মী নিয়ে প্রচার প্রচারণা করেন এতে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল বলে শুনেছি। বিষয়টি খবর নিয়ে পুরোপুরি জানতে হবে।