1. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| সকাল ৬:০৩|
শিরোনামঃ
ঘাগড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে মতি হত্যা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হল ১৭ জনকে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও বার্ষিক মিলাদ মাহফিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত” মোবাইল_কোর্ট পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনকারীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদন্ড জাউয়াবাজারে বুকী নদী পরিদর্শন: দখল-দূষণ রোধে কঠোর অবস্থান জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের বাংলা বর্ষবরণে ময়মনসিংহে বর্ণিল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পরিশোধ তবুও ধীর গতিতে চলছে বৈদ্যুতিক কুটি অপসারণের কাজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট ও ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্র সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এখনো বহাল তবিয়তে।  রায়েরবাগ এভারগ্রিন হাসপাতালে ডাক্তার সায়েম–এর সিন্ডিকেটে অবৈধ এমআর: চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা শারমিনের অনাগত সন্তানের মৃত্যু হালুয়াঘাটে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজগর এর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

ঐতিহ্য বিকশিত হওয়ার পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন – ড. সি আর আবরার

সজিব তালুকদার
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৬০ বার পড়েছেন

বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও হস্তশিল্প সংরক্ষণে সম্মিলিত ও সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “আমাদের এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে ঐতিহ্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকশিত হতে পারে।

আজ বাংলাদেশে ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে “টাঙ্গাইল তাতঃ ঐতিহ্যের মালিকানা ও শিল্পের সম্ভাবনা” শীর্ষক এক সংলাপ আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ও বাংলাদেশে ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.সি আর আবরার । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশে ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সেক্রেটারী জেনারেল রেহানা পারভীন। এই সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মাসউদ ইমরান ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প, বিশেষ করে টাঙ্গাইল শাড়ি ও জামদানীর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে একটি সম্মিলিত সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই অর্জন কোনো একক প্রতিষ্ঠানের নয়- এটি একটি সম্মিলিত প্রয়াস । সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, জাদুঘর কর্তৃপক্ষ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।

নির্বাচনকালীন বাস্তবতার কারণে সীমিত পরিসরে আয়োজন হলেও এই সাফল্য যেন অনুল্লেখিত না থাকে-সেই দায়বদ্ধতা থেকেই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার বলেন, “তাঁত শিল্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত শিল্পী, কারিগর ও সম্প্রদায়ের ভূমিকা যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষা, জিআই স্বীকৃতি, আইনি কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং বিশেষায়িত আইনজীবী প্যানেল গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐতিহ্যের হালনাগাদ তালিকা প্রণয়ন, গবেষণা ও সংরক্ষণ জোরদার, তাঁতশিল্পীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা , পাঠ্যক্রমে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক বিষয় অন্তর্ভুক্তকরণ, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি সহনীয় পর্যায়ে আনতে সরকারি হস্তক্ষেপ – এসব বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। শিক্ষা উপদেষ্টা শহরভিত্তিক হ্যান্ডলুম ভিলেজ স্থাপনের প্রস্তাবও তুলে ধরেন, যেখানে উৎপাদক ও ভোক্তার সরাসরি সংযোগ তৈরি হবে এবং ঐতিহ্যবাহী পণ্যের ন্যায্য বাজার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আলোচনায় উত্থাপিত চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন,“যদি আমাদের ঐতিহ্য এত সহজেই হারিয়ে যায়, তবে আমাদের ভিত্তি যে দুর্বল-তা আমাদের স্বীকার করতেই হবে। আজকের আলোচনা স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে আমাদের সামনে এখনো অনেক করণীয় রয়েছে।

তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা এবং নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন। শেষে শিক্ষা উপদেষ্টা অনুষ্ঠানের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রস্তাব করেন—আলোচনা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশসমূহ সংক্ষেপে দুই পৃষ্ঠার একটি নথি আকারে প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে শেয়ার করা হোক, যাতে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ সহজ হয়। তিনি বলেন, “ এই ধরনের সম্মিলিত চিন্তা আমাদের শুধু নীতিনির্ধারণে নয়, বরং একটি অস্থির সময়েও জাতি হিসেবে মানসিক স্থিতি ও নান্দনিক শক্তি অর্জনে সহায়তা করবে।”

এই সংলাপে ঐতিহ্যের মালিকানা, সম্প্রদায়ভিত্তিক অধিকারের নৈতিক স্বীকৃতি, ভৌগলিক নির্দেশক (GI), ব্রান্ডিং ও এর বাজার উন্নয়ন, তাঁতশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরা ও সমাধানের পথ বের করা, টাংগাইলের তাঁত সুরক্ষায় রাষ্ট্র ও সম্প্রদায়ের ভূমিকা বিস্তারিত উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তাঁতশিল্পী, গবেষক, হ্যান্ডলুম উদ্যোক্তা, ডিজাইনার, ফ্যাশন ও টেক্সটাইল খাতের প্রতিনিধি, সিভিল সোসাইটি ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 doiniksobarageamardesh.com