1. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| রবিবার| রাত ৯:৩৭|
শিরোনামঃ
মাসোয়ারার টাকা নিরবে পেতে ভিন্ন কৌশল করে দুপুরের খাবারের ব‍্যবস্থা করে দিলেন আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্র বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন সৈয়দকাঠী ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি সাংবাদিক সম্মেলন কালির বাজার জামিয়া কাসেমিয়া দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসা পরিদর্শনে ইউএনও ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য! স্বৈরাচারের দোসরদের সিন্ডিকেট রাজত্ব,শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়,ক্ষমতার দাপট,অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের ঢাকার নবাবগঞ্জে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার – ১ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত

একদিন হয়ে যাবে সবই অতীত, বাংলা ভাষা বাংলাদেশ বাদে

সৈয়দা রাশিদা বারী
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০৫ বার পড়েছেন

একদিন হয়ে যাবে সবই অতীত, বাংলা ভাষা বাংলাদেশ বাদে।

যেমন এসেছিল পলাশীর প্রান্তর। ঘাতক রবার্ট ক্লাইভের ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিজয়।
বাংলার শেষ নবাব, নবাব সিরাজুউদ্দৌলার পতন নির্মম ২৩,৬,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দ।
২.৭.১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দও জল জল করবে অখুন্ন থাকবে। কোদাল মারলেও মুছে যাবে না পাষণ্ড এই তারিখ! মীরজাফর ও মীর জাফরের ছেলে মিরর, ঘষেটি বেগম প্রজন্মের পর প্রজন্মদের কাছে কেউ ছাড় পাবে না। আবার একাহিনী হাজার ঢাকলেও ঢাকবে না। নবাব সিরাজের সম্মানও ক্ষুন্ন হবে না। প্রায় দুইশত বছর বর্গী এলো দেশে, ধান ফুরালো পান ফুরালো খাজনা দেবো কিসে।
এটাও ভাসবে, ভাসতেই থাকবে।
একদিন হয়ে গেলেও সবই অতিত।
এসেছিল তিতুমীর ক্ষুদিরাম বাঘা যতীন সোনা বিবি প্যারী সুন্দরী মহারানী ভিক্টোরিয়া গিরি বালা সৈয়দ ওয়াহেদ আলী মিয়া। প্রায় দুইশত বছর পস্তানোর পর, ভুলের মাশুল গুনে দিয়েও
এসেছিল ৪৭, ৫২, ৬৬ এসেছিল ৭১, এসেছিল ২৪, এসেছিল আরো কতকি ইত্যাদি। এমনই তো হয়েছে এবং হবে শুধু থাকবে বাংলা ভাষা বাংলাদেশ!
যুগের আবর্তে প্রতিফলন ঘটা ঘটনার বাইরে প্রঘটনা প্রভৃতি বিলুপ্ত হলেও কিছু পদার্পণ প্রস্থান করবে না। কারণ ইতিহাস প্রস্তান করা শেখে নাই। থাকবে অটুট, দিনে দিনে আরও জব্দ আকার ধারণ করে। ‌
এভাবেই আসবে ফিরে ফিরে বাঁধবে। ডাকবে রাখবে থাকবে। কিচ্ছু হারাবে না চর্যাপদের মতো বেনারসি বাঁধনে থেকে যাবে শতাব্দী ছাড়িয়ে শতাব্দী এবং চর্চা হবে। অথচ
আমি হারিয়ে যাব, তুমি হারিয়ে যাবে, এটা ফুরিয়ে যাবে, ওটা ফুরিয়ে যাবে, সেটা নষ্ট হবে, অন্যটার রং বদলাবে ধ্বংস হবে ইত্যাদি। কিন্তু দৃষ্টি নন্দিত করে সৃষ্টি যেটা হয়, বৃষ্টির টাপুর টুপুর মিষ্টি মধুর করে, তেমনি সেটার কিছুই হারিয়ে যায় না। নিশির শিশির বিন্দু ফুরায় না। নিশি ভোরের শীত মৌসুমের সাথেই বসবাস। যা ছয় মাস বছর অন্তর অন্তর আসে। কিছুই স্রষ্টার জগতের নষ্ট হয় না লোকালয়ে নষ্ট হলেও, হারিয়ে গেলেও, লোকারণ্যে থেকে যায়। চোখে চোখে ফুরিয়ে গেলেও হৃদয়ে হৃদয়ে থেকে যায়। সৃষ্টিকৃত কোন কিছুই ধ্বংস করে দিলেও ধ্বংস হয় না। মহান আল্লাহর কাছে ডকুমেন্টালি খাতা আছে লিস্ট আছে। সেই তালিকা দুই কাধের দুই শৈন্য কথিত বর্ণনা ফেরেশতাদয় বহন করেন।
মানব জীবনের সময়ের অংশসহ কিছু কিছু জিনিস কর্মযজ্ঞ থাকে যেটার কোন ব্যাকগ্রাউন্ড থাকে না।
কোন অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ থাকে না।
রূপান্তরিতও হয় না।
ভাগ হয়না তুলনা হয় না বিচ্ছিন্ন হয় না ইত্যাদি।
যেমন মা-বাবার ভালোবাসা।
একই মায়ের পেটে জন্ম নেওয়া ভাইবোনের সম্পর্ক।
যেমন প্রীতিভাজন বাংলা ভাষা এবং প্রেমময় বাংলাদেশ। প্রেমিক-প্রেমিকার বাঁধন, মানব দানবের মাঝে হবে কেন? বালাই সাট। বাংলা ভাষা এবং বাংলাদেশ এটারই তো স্বরূপ! চেনা এবং জানা বুঝতে হবে শিখতে হবে। এরাই তো আসল গৌরবান্বিত প্রেমিক প্রেমিকা! কেউ কখনোই বিচ্ছিন্ন করতে পারে নাই!
দিন যাবে মাস যাবে বছর যাবে, যুগ কাল শতাব্দী পেরিয়ে শতাব্দী যাবে।
আসবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম নতুন নতুন। ধরবে হাল ওড়াবে পাল বাংলাদেশের প্রজন্মের পর প্রজন্ম।
এটাই রীতি বিধির নীতি। দেহ মন জোড়া স্মৃতি কল্যাণীয়া প্রীতি।
থাকবে এবং থেকেই যাবে অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ জুড়ে বিভোর করে শত শত সূর্য নিশান মুখ। রাজনৈতিক মুখ, শিক্ষা সাংস্কৃতিক মুখ, কলহ বিবাদ করা মুখ! অর্থাৎ শুভ্র মুখ এবং কলঙ্কিত মুখ! আবার দুই মুখো সাপের বিষ এবং মুখও আছে থাকে! কত রকম মুখ। জীবনের লিপিবদ্ধতা ছুঁয়ে ‌গবেষণার আলিঙ্গন। ত্রিমুখী মূল্যায়ন চতুর্মুখী কদর বিহঙ্গন! কখনোই বলছি না বলবো না উলঙ্গ সমাজ! ঘুণে ধরা ফাটল ধরা সমাজ! কেননা তাতে সোনার চেয়েও দামী এই দেশের মানের হানি ঘটবে। এখানে দূর পাল্লা আঙ্গিকে সুদূর ভবিষ্যৎ আসবে আর আসবে আসতেই থাকবে! পাখির কিচির মিচির। গুঞ্জরিয়ে ওঠা মহুয়ার বন। সাতার জলে মাছের খেলা। লক্ষ্মী প্যাঁচার গোলাঘর পাহারা। বিড়ালের ইঁদুর ধরা প্রকৃতির আহ্বান। এই বিশাল আকর্ষণ কি যে অপূর্ব মন মুগ্ধকর।
মানুষ বদলিয়েছে দিন পাল্টিয়েছে! দিন পাল্টাবে মানুষ বদলাবে কিন্তু আমার তোমার ভালোবাসার বাংলা ভাষা এবং আমার তোমার ভালোলাগার বাংলাদেশ সুমহান থেকেই যাবে অজানা এক প্রকৃতির টানে।
আমি থাকবো না, তুমি থাকবে না, সে থাকবে না, তারা থাকবে না, কেউ থাকবে না।
সংস্কারের নামে যাই হবে। সেটারও চেঞ্জ হবে কালে কালে, যুগে যুগে কিন্তু রূপসী বাংলার রূপের রানীর কোন ক্ষয় নাই!
বাঙালিয়ানি সুমিষ্টি বিলাসী সুন্দর নয়নাভিলাভ দৃষ্টি অক্ষুন্ন রবে এবং অক্ষয় অম্লান থেকেই যাবে।
হ্যাঁ হ্যাঁ প্রাকৃতিক ভাবেই প্রকৃতির টানে বাংলা ভাষা এবং বাংলাদেশ স্থায়িত্ব থেকেই যাবে।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 doiniksobarageamardesh.com