1. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| রাত ২:১০|
শিরোনামঃ
ঘাগড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে মতি হত্যা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হল ১৭ জনকে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও বার্ষিক মিলাদ মাহফিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত” মোবাইল_কোর্ট পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনকারীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদন্ড জাউয়াবাজারে বুকী নদী পরিদর্শন: দখল-দূষণ রোধে কঠোর অবস্থান জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের বাংলা বর্ষবরণে ময়মনসিংহে বর্ণিল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পরিশোধ তবুও ধীর গতিতে চলছে বৈদ্যুতিক কুটি অপসারণের কাজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট ও ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্র সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এখনো বহাল তবিয়তে।  রায়েরবাগ এভারগ্রিন হাসপাতালে ডাক্তার সায়েম–এর সিন্ডিকেটে অবৈধ এমআর: চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা শারমিনের অনাগত সন্তানের মৃত্যু হালুয়াঘাটে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজগর এর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

অপহরণের নাটক সাজিয়ে নুরুজ জমিন কে ফাঁসানোর অভিযোগ মাহাবুবুল আলম মিনারের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯৫ বার পড়েছেন

কথিত সাংবাদিক নামধারী মাহাবুবুল আলম মিনার প্রকাশ রোহিঙ্গা মিনার তার অপকর্মের শেষ কোথাই, সাধারণ রোহিঙ্গাদের বলির পাঠা বানিয়ে অপহরণ বানিজ্য ও মুক্তিপণের মত জঘন্য কাজে লিপ্ত নিজে বাঁচতে এমএসএফে কর্মরত ভলান্টিয়ার নুরুজ জমিন কে ফাঁসানোর অভিযোগ। গত ১৫ ই ডিসেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে বোনের বিয়ের দাওয়াত দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে জামতলি চেকপোস্টের একটি দোকানে বসে থাকা অবস্থায় মাহাবুবুল আলম মিনার তার নাম্বারে কল দেয়, পরে ক্যাম্পে কর্মরত এপিবিএন পুলিশের হাতে অপহরনকারী বলে তাকে ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাধারণ রোহিঙ্গাদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করে। রোহিঙ্গা মিনার ওরফে কথিত সাংবাদিক মাহবুবুল আলম মিনার রোহিঙ্গা আগমনের পর থেকে হয়ে উঠেন বড় সাংবাদিক যার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের সাথে রয়েছে আতাত ক্যাম্প সংঘটিত সব ধরনের অপরাধের সাথে পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে তার প্রমাণ। itn নিউজ নামের ফেইচবুক পেইজ দিয়ে সম্মানী লোকের মানহানী করে। ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের সাথে আতাত করে অপহরণ ও মোটা অংকের মুক্তিপণের বিনিময় উদ্ধারের নাটক যে সময় যার দাপট মুহুর্তে পাল্টে যায় সেই গ্রুপে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নারীদের বিদেশ পাঠানো ও পাসপোর্ট এনআইডি জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাহার বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে।তার মন মত হলে নিজে বিয়ে করে পরে স্বর্ণ অলংকার নিয়ে পরবর্তীতে পতিতালয়ে বিক্রি করে দেওয়ার ও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

তার রয়েছে একাধিক স্ত্রী তার মধ্যে রোহিঙ্গা ও বাঙালি। রোহিঙ্গা লিডারদের চিকিৎসার নামে অপহরণ পরবর্তীতে গুম- খুনে রয়েছে তাহার সংপৃক্ততা। তাহার নামে বেনামে রয়েছে সম্পদের পাহার। উখিয়া মুহুরী পাড়া ৫০ লাখ টাকার বাড়ি ইনানীতে দুই কোটি টাকার বাড়ি কক্সবাজার জানার ঘোনা এক কোটি টাকা দামের বাড়ি গর্জনিয়া রয়েছে তাহার বাড়ি নামে বেনামে সম্পত্তি একজন মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশে কিভাবে এতো সম্পদের মালিক এইসব অপকর্মের ফিরিস্তির শেষ নেই এমনটাই সাধারন মানুষের প্রশ্ন ঘুরপাক খায়।
তার বাড়ি মায়ানমারের উদং এর সে রোহিঙ্গা কমিউনিটির সদস্য অর্থাৎ পুরাতন রোহিঙ্গা।
সে পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে বাঙালি কিংবা মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। যখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রভাব ছিল আরএসওর তখন কথা বলতো আরসার বিরুদ্ধে আর এখন দেখা মিলে তার বিপরীত। রোহিঙ্গাদের দুঃখ দুর্দশার কথা বলে বিদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের ম্যানেজ করে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ -লাখ টাকা। কয়েকজনকে অর্থ সহায়তা ও মসজিদ মাদ্রাসার লোভ দেখানো আকাশ সমান কাজ দেখিয়ে বাকি টাকা ঢুকে তার পকেটে ।
২০১৭ কিংবা তাহার পরে রোহিঙ্গা আগনের সময় ও পরবর্তী সময় রোহিঙ্গাদের ভাসমান লাশ তুলে দাফন কাফনের কথা বলে দেশী-বিদেশী অর্থশালীদের থেকে নেওয়া হয় কোটি টাকা। মানবতার সেবক সেজে দিয়েছে ধোঁকা। উখিয়ার বালুখালী ৯ নং ক্যাম্পের জাফর আলমের মেয়ে তসমিন ফাতেমাকে স্কুলে যাওয়ার পথে চেতনা নাশক পাউডার ব্যবহার করে তাঁকে মাহবুবুল আলম মিনারের বাসায় নিয়ে আসে এরপর থেকে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন ধর্ষণ ধর্মের বাপ বলেও রেহাই মিলেনি তার রাতে আসতো মিনারের স্বমন্ধি রোহিঙ্গা আব্দুর রহিম দিনে আসতো মিনার ৮ দিন ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তসমিনকে। পরে তাহার পরিবার অনেক খুঁজাখুঁজির পর জানতে পারে মিনার ও তাহার স্বমন্ধি আবদুর রহিম তসমিনকে নিয়ে গেছে। তখন সিআইসি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন অভিযোগের সূত্রে তারা তসমিনকে সিআইসি অফিসে হাজির করেন। অফিসে নেওয়ার আগে তাকে আই ওয়াশ করে মিনার। তাকে বলা হয় তুমি আমার নাম বলবে না রহিমের নাম বলবে তার সাথে তোমার বিয়ে দিয়ে দেব। স্বর্ণ অলংকার যা দিতে হয় আমি দেব স্ব কৌশলে তাহার সাথে থাকা মিয়ানমারের এক ভরি দুই আনা সোনা নিয়ে নেই মিনার। তারপর ভয়ভীতি দেখিয়ে সিআইসি অফিসে তার স্বমন্ধি আবদুর রহিম কে বিয়েতে রাজি করাই। ক্যাম্প সিআইসি তাদের বক্তব্য শুনে দু’জনকে সংসার করার নির্দেশ দেয় আবারও নির্যাতন শুরু আগের মতো রাতে রহিম দিনে মিনার বাধা দিলে বের করে দেওয়ার হুমকি ও বাপ ভাইকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি। এক পর্যায়ে মিনারের কুপ্রস্তাবে সারা না দেওয়ায় তার স্বমন্ধি আবদুর রহিম সহ বালুখালী বলি বাজার মার্কেটিং করতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তসমিনকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। ভুক্তভোগী অসহায় পরিবারের দাবি রোহিঙ্গা মিনারের অপরাধের লাগাম টেনে ধরতে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করে।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 doiniksobarageamardesh.com