1. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| রাত ৪:০৮|
শিরোনামঃ
ঘাগড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে মতি হত্যা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হল ১৭ জনকে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও বার্ষিক মিলাদ মাহফিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত” মোবাইল_কোর্ট পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনকারীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদন্ড জাউয়াবাজারে বুকী নদী পরিদর্শন: দখল-দূষণ রোধে কঠোর অবস্থান জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের বাংলা বর্ষবরণে ময়মনসিংহে বর্ণিল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পরিশোধ তবুও ধীর গতিতে চলছে বৈদ্যুতিক কুটি অপসারণের কাজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট ও ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্র সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এখনো বহাল তবিয়তে।  রায়েরবাগ এভারগ্রিন হাসপাতালে ডাক্তার সায়েম–এর সিন্ডিকেটে অবৈধ এমআর: চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা শারমিনের অনাগত সন্তানের মৃত্যু হালুয়াঘাটে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজগর এর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহে সমাজ রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের নানান কর্মসূচিতে বিজয় দিবস পালন

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫৪ বার পড়েছেন

নানান কর্মসূচীর মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস পালন করে স্থানীয় সমাজ রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘ। কর্মসূচীর প্রথমে সংগঠনটি সকাল ১০ টায় বিজয় শোভাযাত্রা বের করে। শোভাযাত্রাটি নগরীর টাউন হল হতে জিরো পয়েন্ট হয়ে ব্যাটবল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় জাতীয় পতাকা উড়ানো, মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্রের স্মারক হিসেবে কাঠের তৈরি. ৩০৩ রাইফেল ও স্টেশনগান প্রদর্শন ও দেশাত্মবোধক গান বাজানো হয়।

শোভাযত্রা শেষে ব্যাটবল চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন ১৯৭১’এ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন। নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার দাবী আদায়ের মাধ্যমে বাঙালী জাতির মনে স্বাধীনতা অর্জনের আকাঙ্খা জেগে উঠে। দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ বেয়ে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে সে আকাঙ্খা বাস্তবায়িত হয়। বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি অসম যুদ্ধ। পাকিস্তানের শেকল ভেঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই অসম যুদ্ধে অদম্য সাহস বলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর ভারী অস্ত্রের বিপরীতে. ৩০৩ রাইফেল, স্টেনগানের মত হালকা অস্ত্র নিয়ে অসম যুদ্ধে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। কিছু সংখ্যক পাকিস্তানপন্থী ব্যতীত তৎসময়ের পুরো বাঙালী জাতি মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ফলে মুক্তিযুদ্ধ রূপ নেয় জনযুদ্ধে। জনযুদ্ধে পরাস্ত হয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে উদিত হয় নতুন সূর্য, যে সূর্যের নাম বাংলাদেশ। বাঙালী জাতি উড়ায় লাল সবুজের পতাকা। বক্তারা আরো বলেন, আমাদের পূর্ব প্রজন্ম জীবনের বিনিময়ে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছেন। তাদের এই অবদানকে স্মরন করতে হবে, যা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। পূর্ব প্রজন্মের আত্মত্যাগের ফলেই আজ আমরা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিক। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে আমাদেরকে বিন্দুমাত্র বিচ্যূত হওয়ার কোন অবকাশ নেই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের বাস্যযোগ্য বাংলাদেশ বিনির্মানে আমাদের নিবেদিত হতে হবে। লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, উগ্রবাদকে প্রতিহত করতে হবে। সাম্যের সহাবস্থানের বাংলাদেশের মধ্যে নিহিত রয়েছে পুর্ব প্রজন্মের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বাস্তবায়ন চিত্র।

সমাবেশে বক্তারা জয়নুল উদ্যানের ব্যাটবল চত্বরের নিকটে অবস্থিত অবহেলিত বধ্যভূমি রাষ্ট্র কর্তৃক সংরক্ষণের জোর দাবী জানান। উল্লেখ্য, এই বধ্যভূমিতে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য ৯৯ লাখ টাকার প্রাক্কলন বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: শাহজাহান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তপন কুমার সাহা, ইঞ্জিনিয়ার এম এ জিন্নাহ, ডা: এম এ জব্বার, অঞ্জন সরকার, আব্দুল হান্নান আল আজাদ, মো: আব্দুল মান্নান, নজরুল ইসলাম জুয়েল, সৈয়দ আরমান হোসেন, তানজিল হোসেন মুণিম, আবু সাইফ মুহম্মদ সাইফুল্লাহ, রায়হান আকন্দ হৃদয়, আবীরাত হোসেন, সেবিকা দাস, সাবিকুন্নাহার পান্না, রফিকুল ইসলাম রফিক, খন্দকার রুমন প্রমূখ।

সমাবেশ শেষে ব্যাটবল চত্বর সংলগ্ন অবহেলিত বধ্যভূমি স্থলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। সঙ্গীত পরিবেশন করেন ইমতিয়াজ আহমেদ, আব্দুল হান্নান আল আজাদ, শাহরিয়ার আহমেদ আশিক প্রমূখ।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 doiniksobarageamardesh.com